স্মার্টফোন ব্যবহারে পিছিয়ে থাকায় দ্বিতীয় বাংলাদেশ
করোনা ভাইরাস প্রতিরধে স্মার্টফোন ব্যাবহারের অপ্রতুলতাকেই প্রধান বাধা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, এই অপ্রতুলতার কারণে অ্যাপ-ভিত্তিক উপাত্ত সংগ্রহে পিছিয়ে থাকাই এই ভাইরাসটিতে সংক্রমিতদের সনাক্ত করা যাচ্ছে না।
এ নিয়ে শ্রীলংকাভিত্তিক তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক আন্তর্জাতিক গবেষণা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান লার্ন এশিয়া শনিবার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল এশিয়ার কোটি কোটি নাগরিক আজ এই অতি সহজ জীবনরক্ষাকারী সুব্যাবস্থা থেকে বঞ্চিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনের সঙ্গে এই অঞ্চলে মোবাইলফোন ব্যবহারের একটি চিত্রও তুলে ধরা হয়েছে।
শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া ও নেপালের ১৫-৬৫ বছর বয়সী মানুষ কী ধরনের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তার ওপর জরিপ চালিয়ে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে লার্ন এশিয়া। জরিপে বাংলাদেশ থেকে অংশ নিয়েছে ২০২০ জন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্মার্টফোন ব্যবহারে পিছিয়ে থাকাদের মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশ। এখানে ১৭ শতাংশ মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। এছাড়াও ২৭ শতাংশ মানুষ স্মার্টফোন এবং ২৯ শতাংশ বারফোন ব্যবহার করেন। আর ২৭ শতাংশের হাতে কোনো ফোনই নেই।
প্রতিচিত্র অনুযায়ী, মোবাইল পেনিট্রেশনে এই দেশগুলোর মধ্যে এগিয়ে আছে শ্রীলংকা। স্মার্টফোন ব্যবহারে নেপাল ও শ্রীলংকা সমানে সমান। দেশদুটিতে গড়ে ৩৭ শতাংশ মানুষের হাতেই রয়েছে স্মার্টফোন। তবে নেপালে মোবাইল ফোন না থাকা মানুষের হার বাংলাদেশের চেয়ে এক শতাংশ বেশি।